• নরসিংদী
  • শনিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ; ০৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

Advertise your products here

নরসিংদী  শনিবার, ২৩ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ;   ০৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
website logo

 মাধবদীতে ৪ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১ 


জাগো নরসিংদী 24 ; প্রকাশিত: শনিবার, ০৭ মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০৬:৩১ পিএম
মাধবদীতে ৪ সন্তানের জননীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের অভিযোগে গ্রেফতার ১ 

স্টাফ রিপোর্টার : নরসিংদীর মাধবদীতে ৪ সন্তানের জননী মোবাইল ফোনে পরিচয় হওয়া তার প্রেমিকের সাথে দেখা করতে এসে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। ৪০ বছর বয়সী ভুক্তভোগী নারী শুক্রবার (৬ মার্চ) সকালে মাধবদী থানায় হাজির হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন। এঘটনার সাথে জড়িত রিদয় মিয়া (৩২) নামে এক ব্যক্তিকে

শুক্রবার বিকেলে গ্রেফতার করে মাধবদী থানা পুলিশ।

এর আগে চার সন্তানের জননী ওই ভুক্তভোগী নারী মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা গ্রামের একটি মাছের খামারের পুকুর পাড়ে ফোনে পরিচয়ের সূত্রে দেখা করতে গিয়ে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন। পরে তিনি শুক্রবার তিনি থানা হাজির হয়ে এ অভিযোগ দায়ের করেন।

অভিযোগ পেয়ে বিকেলে ধর্ষক হৃদয় মিয়া নামে ওই নারী কথিত প্রেমিক ধর্ষক হৃদয় মিয়াকে গ্রেফতার করেন পুলিশ।

ভুক্তভোগী নারী নারায়ণগঞ্জ জেলার আড়াইহাজার থানার গোপালদী গ্রামের বাসিন্দা। বর্তমানে তিনি নরসিংদীর মাধবদী পৌরসভার মেন্ডাতলা এলাকায় বসবাস করেন।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খরিয়া গ্রামের হৃদয় মিয়ার সাথে গত ৩/৪ দিন আগে মোবাইলে পরিচয় হয়।বৃহস্পতিবার বিকেলে ওই নারী তার মেয়েকে নিয়ে আড়াইহাজার পৌরসভা এলাকার মার্কেটে ঈদের শপিং করতে যান।

এসময় হৃদয়ের সাথে ওই নারী মোবাইলে কথা হয়। মেয়েকে সাথে নিয়ে মার্কেটে এসেছে জানতে পেরে হৃদয় দেখা করার বায়না ধরে। মেয়েকে ঈদের জামা কিনে দিয়ে ইফতারের আগেই বাসায় পাঠিয়ে দেন। পরে ওই নারী মোবাইলে পরিচয় হওয়া  তার কথিত প্রেমিক হৃদয়ের সাথে দেখা করতে  একাই অটো যোগে রাতে মাধবদী থানার কাঁঠালিয়া ইউনিয়নের খামারদী পদ্মারকান্দা এলাকায় যান। সেখানে দুজনে কথা বলার একপর্যায়ে ওই নারীকে বিয়ের প্রস্তাব দেন হৃদয়। বিয়ের প্রস্তাবে রাজি না হলে হৃদয় ক্ষিপ্ত হয়ে উঠে এবং তাকে রাস্তা থেকে পুকুর পাড়ের দিকে টেনে নিয়ে যান। সেখানে আগে থেকে ওৎ পেতে থাকা আরও অজ্ঞাতনামা তিনজন ওই নারীকে পুকুর পাড়ে ফেলে সংঘবদ্ধভাবে ধর্ষণ করেন। পরে ওই নারীর কাছ থেকে মোবাইল ও টাকা-পয়সা কেড়ে নিয়ে তাকে দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করতে বলেন। ওই নারী তাৎক্ষণিক দৌড়ে পাশেই থাকা একটি পাওয়ার লোম কারখানায় গিয়ে আশ্রয় নেন এবং তাদের ঘটনাটি জানান।

পরে ভুক্তভোগী নারী মাধবদী থানায় বিষয়টি জানালে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এ ঘটনায় মামলা দায়েরের পর মোবাইল নম্বর ট্র্যাক করে হৃদয় মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়।

মাধবদী থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কামাল হোসেন বলেন, ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ ও নরসিংদীর সীমান্তবর্তী এলাকায় ঘটেছে। প্রথমে ভুক্তভোগী নারী আড়াইহাজার থানাকে জানালে তারা ঘটনাস্থলে এসে নরসিংদীর মধ্যে ঘটনা হওয়ায় আমাদের জানায়। রাতেই ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী কারও নাম বলতে পারেননি। মোবাইলের নম্বরের সূত্র ধরে অভিযুক্ত হৃদয়কে আমরা গ্রেফতার করি।  প্রাথমিকভাবে সে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেছে।
 

নরসিংদীর খবর বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ