মকবুল হোসেন : প্রতিবেশীর মারামারিকে কেন্দ্র করে ধর্ষণ ঘটনার নামে সোশ্যাল মিডিয়ায় অপপ্রচার, এলাকায় ক্ষোভ বিরাজ করছে। এমন ঘটনা ঘটেছে গত ২৭ মার্চ বৃহস্পতিবার দুপুরে নরসিংদী সদর উপজেলার কাঠালিয়া ইউনিয়নের ডৌকাদী গ্রামের নিমতলায়। ঘটনার বিষয়ে জানতে এলাকায় গেলে ভুক্তভোগী পরিবারের লোকমান হোসেন জানায়, প্রতিবেশীর সাথে আমার মেয়ের ঝগড়া হয়। সেই ঝগড়ার বিষয়ে জানতে পেরে আমি রাগারাগি করা অবস্থায় এলাকার সাদেক এসে বলে আমধুম করিছ না সাংবাদিক আইছে। তখন সাংবাদিকরা এসে আমাকে বলল তুমি এদিকে আইয়, তোমার বিস্তারিত সব হুনি, বিস্তারিত কইতারো তুমি জিতবা, তোমার লস অইতনা। তুমি কিন্তু সত্য ঘটনা কইবা। তুমি সত্য ঘটনা কও, তুমি ঘরে আইয়, না আমি ঘরে যাইতাম না পরে আমার বাচ্চার মারে আর সাদিয়ারে টাইন্না ঘরে নিয়া হেগড়ে ধমকাইয়া কথা লইতাছে তুমি এমনে কও হেমনে কও কইলে তোমরা জিতবা, আমরা ছাইড়া দিমু, একটা মামলা কইরা দিমু সাইফুলরে ধইরা নিব, ধইরা নিলে মামলাডা বারব তোমগো লাভ অইব। এইডা কইয়া হেগতে লেইক্কা মেইক্কা নিয়া হেরা মিথ্যা মিথ্যা ছারছে। মহিলাগরে ঘরে গিয়া হিগাইয়া দিছে সাইফুলের নাম কইতো, হেরা কইছে সাইফুলের নাম কইলে কঠিন মামলা অইব, আমি থানাত গিয়া অভিযোগ দিয়াইতাম, হেরা আমারে জোর করে হোন্ডার কইরা লইয়া যায়, কয় গাড়ি ভারার টেয়া লাগলে আমি দিমু তুমি হেনতে গাড়ি ভাড়া লইয়া আইবা, তুমি খালি একটা সই দিবা সাংবাদিকে বলছে।আমি এইডার বিচার চাই।
এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ২৯ মার্চ শনিবার দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করেছে কাঠালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের সদস্য সচিব সাইফুল ইসলাম। তিনি জানান, ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী পরিবার সহ এলাকাবাসীর সাথে কথা বললে তিনি জানতে পারেন এটা পারিবারিক ঝগড়া। ধর্ষণের ঘটনা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। ধর্ষণ বা ধর্ষণের চেষ্টার কোন ঘটনা ঘটেনি। সাংবাদিক নামধারী যারা এটা সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করেছে তারা ভুক্তভোগী পরিবারকে শিখিয়ে দিয়ে তাদের কথা কাটছাট করে প্রচার করেছে। এ ঘটনায় আমার নাম ও দলের নাম জড়িয়ে যে অপপ্রচার চালানো হয়েছে আমি তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। যাদের সাথে ঝগড়া হয়েছে তারা আমার কাঁঠালিয়া ইউনিয়ন যুবদলের কোন সদস্য নয়। যারা আমার ও দলের মানসম্মান নষ্ট করেছে আমি তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব। আমি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।