• নরসিংদী
  • রবিবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ; ১৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ

Advertise your products here

Advertise your products here

নরসিংদী  রবিবার, ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ;   ১৯ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ
website logo

মাধবদীতে দুই মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার


জাগো নরসিংদী 24 ; প্রকাশিত: শনিবার, ১৮ জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ০২:০৪ এএম
মাধবদীতে দুই মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার

স্টাফ রিপোর্ট : নরসিংদীর মাধবদীতে দুই মাসের শিশুর পা মুচড়ে দেওয়ার ঘটনায় অভিযুক্ত মামলার প্রধান আসামি সেই চাচি ফারজানা আক্তার লতা বেগমকে (৩২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাব-১১

শুক্রবার (১৭ জুলাই) রাতে সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে এই তথ্য জানান র‍্যাব-১১ নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার মো: আরিফুল ইসলাম। এর আগে আজ দুপুরে নারায়ণগঞ্জের রুপগঞ্জ থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব-১১ নরসিংদীর ক্যাম্প কমান্ডার মো: আরিফুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি নরসিংদী জেলার মাধবদী থানাধীন একটি তিন মাস বয়সী শিশুর ওপর নির্মম নির্যাতনের ঘটনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে এবং দেশব্যাপী তীব্র জনমতের সৃষ্টি করে। ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, পারিবারিক বিরোধের জেরে শিশুটির পায়ে গুরুতর আঘাত করা হয়। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক উদ্বেগের সৃষ্টি হয় এবং সংশ্লিষ্ট থানায় মামলা রুজু করা হয়।

ঘটনার পর থেকেই র‍্যাব-১১, সিপিএসসি-৩ নরসিংদী গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি করে এবং তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আসামির অবস্থান শনাক্তে কাজ শুরু করে। ছায়া তদন্ত গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহ এবং বিভিন্ন সূত্র যাচাই-বাছাইয়ের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া যায় যে, মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তার (লতা) আত্মগোপনে রয়েছে।

এরই ধারাবাহিকতায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ র‍্যাব-১১, সিপিএসসি, নরসিংদীর একটি আভিযানিক দল নারায়নগঞ্জ জেলার রূপগঞ্জ থানা এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে আলোচিত মামলার প্রধান আসামি ফারজানা আক্তার (লতা)-কে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। গ্রেপ্তারকৃত আসামিকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। পরবর্তী আইনানুগ কার্যক্রম গ্রহণের জন্য তাকে মাধবদী থানায় হস্তান্তর করা হবে।

এর আগে আপন চাচী কর্তৃক ২ মাসের শিশুর উপর অমানবিক নির্যাতনের ভিডিও ভাইরাল হওয়ার ঘটনায় ১৪ জুলাই মঙ্গলবার রাতে মামলা দায়ের করা হয়েছে। নরসিংদীর প্রবেশন অফিসার রিজা আক্তার বাদী হয়ে মাধবদী থানায় মামলাটি দায়ের করেন। এতে শিশুটির চাচী অভিযুক্ত লতা বেগমের পাশাপাশি তার স্বামী কাউছার আহমেদ এবং লতার পিতা আলমাছ মিয়াকে আসামী করা হয়েছে। এই ঘটনায় ইতিমধ্যেই লতা বেগমের স্বামী কাউছার আহমেদ এবং পিতা আলমাছ মিয়া কারাগারে রয়েছেন। এ ঘটনার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হওয়ার পর পলাতক ছিলেন চাচি লতা।

নরসিংদীর খবর বিভাগের জনপ্রিয় সংবাদ