নিজস্ব প্রতিনিধি : নরসিংদীর শিবপুর উপজেলার বাঘাব ইউনিয়ন পরিষদে সেবা নিতে এসে চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন সাধারণ মানুষ। পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে জন্ম নিবন্ধন কার্যক্রমে অসহযোগিতা, ইচ্ছাকৃত ভুল এবং দিনের পর দিন ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছে। তার এমন অপেশাদার আচরণে ক্ষুব্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা।
ভুলের বৃত্তে জন্ম নিবন্ধন অভিযোগ উঠেছে, জন্ম নিবন্ধনের আবেদন জমা দেওয়ার পর মাসের পর মাস অপেক্ষা করেও মিলছে না কাঙ্ক্ষিত সনদ। অনেক ক্ষেত্রে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর যখন সনদ হাতে পাওয়া যায়, তাতে দেখা দিচ্ছে নাম বা জন্ম তারিখের গুরুতর ভুল। ভুক্তভোগীদের দাবি, এসব ভুল সংশোধনের জন্য বারবার ইউনিয়ন পরিষদে গেলেও প্রশাসনিক কর্মকর্তা (সচিব) শহিদুল ইসলাম তাদের সাথে দুর্ব্যবহার করেন এবং তুচ্ছ অজুহাতে ফাইল আটকে রাখেন।
ইউনিয়নের জনৈক ভুক্তভোগী জানান, জন্মনিবন্ধন ডিজিটাল ও বয়স সংশোধন করতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে আজ যখন জন্মনিবন্ধন হাতে পাই। তখন দেখি মিম নামের জায়গায় হাবিবুর রহমান। একটি ভুল সংশোধন করতে এসে আরেক ভুলের সম্মুখীন হলাম।
আরেক ভুক্তভোগী জানান, আজকে জন্মনিবন্ধন হাতে পেয়ে দেখি আমার নাম মোঃ শাহেদ ইসলামের জায়গায় শুধু ইসলাম। এত বড় ভুল কীভাবে করেন তিনি? সচিবকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলে আবার নতুন করে কাগজ পত্র নিয়ে এসে সংশোধন করতে হবে।
সেবার নামে হয়রানি স্থানীয়দের অভিযোগ, জন্ম নিবন্ধন কার্ডে বানান ভুল হওয়া এখন এই পরিষদের নিয়মিত ঘটনা। আর এই ভুল সংশোধনের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রানির চরম সীমায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে প্রশাসনিক কর্মকর্তার ‘সন্তুষ্টি’ ছাড়া কোনো কাজই এগোয় না বলে গুঞ্জন রয়েছে। প্রতি কাজে কাজে টাকা গুনতে হয়।
বাঘাব ইউনিয়ন পরিষদের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শহিদুল ইসলাম বলেন, সার্ভারে সমস্যা। নাম সার্ভার ভুল করেছে।