স্টাফ রিপোর্টার : বর্তমানে নারীরা সবাই কম বেশি রূপ সচেতন। তাই কর্মজীবী নারী থেকে শুরু করে কলেজ পড়ুয়া মেয়েরা প্রতিমাসে পার্লারগুলোতে ঢু মারছে। নরসিংদীতে অনেক সচেতন নারী আছে যারা অন্যতম মানের প্রসাধনী সামগ্রী সহ রূপচর্চা করতে ছুটছেন ঢাকায়। সেই সকল নারীদের কথা চিন্তা করে বিশ্বমানের সৌন্দর্য পরিষেবার অঙ্গীকার নিয়ে নরসিংদীতে যাত্রা শুরু করেছে আধুনিক বিউটি ডেস্টিনেশন' বিউটি রুম বাই আফরিন'।
নরসিংদীতে এই প্রথম জন্য পার্লার জগতের সবচেয়ে আধুনিক ও বড় পরিসরে বিউটি সেন্টার। এখানে দক্ষ ও অভিজ্ঞ ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে এবং প্রফেশনাল বিউটিশিয়ান দ্বারা পরিচালিত বিউটি রুম বাই আফরিন সম্প্রতি নরসিংদী জেলা শহরের পশ্চিম কান্দাপাড়া (রাঙ্গামাটিয়া) এলাকায় তাদের কার্যক্রম শুরু করে।
এখানে রয়েছে জেলার প্রথম- সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত ও স্যানিটাইজড পরিবেশ, লেটেস্ট হাইড্রা-ফেসিয়াল মেশিন, স্কিন অ্যানালাইজার, আধুনিক স্টিমার ও ওজোন থেরাপি। শতভাগ আন্তর্জাতিক মানের নামীদামি ব্র্যান্ডের অথেন্টিক প্রোডাক্ট।
ত্বক ও চুলের সকল সমস্যার সমাধানে রয়েছে হাইড্রা-ফেসিয়াল, গোল্ড ও অ্যারোমা ফেসিয়াল, ব্রাইডাল ও পার্টি মেকআপ, হেয়ার স্পা, কেরাটিন, রিবন্ডিং এবং হেয়ার ফল ট্রিটমেন্ট।
আরও রয়েছে প্রিমিয়াম ম্যানিকিউর, পেডিকিউর, ওয়াক্সিং, বডিপলিশিং ও ডি-ট্যান।
বিউটি রুম বাই আফরিন নরসিংদীর ম্যানেজার সাজেদা আক্তার তানজিনা জানান, বিউটি রুম বাই আফরিনে ত্বকের সাথে কোনো আপোষ করা হয় না। অনুমানের ওপর নয়, বৈজ্ঞানিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও আধুনিক স্কিন অ্যানালাইসিসের মাধ্যমেই প্রদান করা হয় প্রতিটি সেবা।
বিউটি কেয়ার সেন্টার বিউটি রুম বাই আফরিন শুধু একটি পার্লার নয়, এটি আপনার সৌন্দর্য গঠনের এক নতুন ঠিকানা।
প্রতিটি গ্রাহকের ত্বকের ধরন, সমস্যা ও সংবেদনশীলতা আলাদাভাবে যাচাই করে তবেই শুরু হয় নির্দিষ্ট ট্রিটমেন্ট। অভিজ্ঞ ডিগ্রিধারী ডাক্তারের পরামর্শে নিশ্চিত করা হয় নিরাপদ, প্রমাণভিত্তিক ও কার্যকর স্কিন সল্যুশন। ত্বক বুঝেই তৈরি করা হয় ব্যক্তিগত কেয়ার প্ল্যান। তাই নরসিংদীর মানুষ এখন আর ঢাকায় নয়- ত্বকের আসল সৌন্দর্যের জন্য আমাদের কাছ থেকে সেবা নিতে চলে আসতে পারেন।
তবে একটি কুচক্রি মহল বিউটি রুম বাই আফরিন এর সফলতা দেখে ইষান্বিত হয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। ফেসবুকে করা হচ্ছে মিথ্যা ও ভিত্তিহীন পোষ্ট।
এব্যাপারে নরসিংদী আইনজীবি সমিতির সদস্য এড. কাউছার মিয়া বলেন, কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সম্মানহানির উদ্দেশ্যে মিথ্যা তথ্য প্রচার করা সাইবার অপরাধ। যেমন- কারো বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগ পোস্ট করা, কোনো সেলিব্রিটি বা সরকারি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার, ব্যক্তিগত ছবি বা তথ্য অনুমতি ছাড়া শেয়ার করা। যা ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে জেল ও জরিমানা হতে পারে।